ভিসা পাওয়ার সহজ কৌশল। 

অস্ট্রেলিয়া কানাডা ইউরোপ আমেরিকা যেতে পারেন মাত্র দুই লাখ টাকায়।

How to go to Europe and America for only two lakh taka.

অনেকেই ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া যেতে চায়, শুধুমাত্র  ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার জন্য বডি কন্টাক্ট করে ১০লাখ, ১২লাখ, ১৫লাখ টাকা, এতো বিশাল পরিমানের টাকার কথা শুনে আমরা খুব অবাক হয়ে যাই। 

কিন্তু এই ইউরোপ-আমেরিকা-কানাডা-অস্ট্রেলিয়া মাত্র দেড় থেকে দুই লাখ টাকায় আপনি যেতে পারবেন। 

USA Canada Europe America Visa

কি অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে ?

তাহলে এই আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে একবার পড়ুন তাহলে আপনি কারো সাহায্য ছাড়াই ইউরোপ-আমেরিকা-কানাডা-অস্ট্রেলিয়া যেতে পারবেন এবং খরচ হবে ১লাখ ১০/২০, ১লাখ ১০, সর্বোচ্চ ২লাখ টাকা, কিন্তু কিভাবে?

 

তাহলে বিশ্বের যেকোনো দেশ আমি যদি ঘুরতে যাই তাহলে আমার যে প্রাথমিক জিনিশটি প্রয়োজন হবে তা হলো আমার পাসপোর্ট তারপর আমার ট্রাভেল এক্সপেরিয়েন্স, আমি যে পর্যটক আমি যে ট্রাভেল অর্থাৎ ঘুরে বেড়াই সেই ইতিহাস। কিছু বিজনেস ডকুমেন্ট আমি সে দেশের ব্যবসায়ী, আপনার অর্থনৈতিক দক্ষতা প্রমাণের জন্য ব্যাংক ট্রানজেকশন | 

 

তাহলে আপনার ডকুমেন্ট  লাগবে তিনটি, ১| ট্রাভেল রিলেটেড, ২| বিজনেস রিলেটেড, ৩|  ব্যাংক আপনার অর্থনৈতিক সক্ষমতা রিলেটেড,  এছাড়া কিছু কিছু ক্ষেত্রে পারিবারিক ইতিহাস, সম্পদের পরিমাণ  বিভিন্ন কিছু লাগবে কিন্তু বেসিক দিক এখন আমি ইউরোপ যেতে চাই অস্ট্রেলিয়া যেতে চাই কিংবা কানাডা যেতে চাই that’s ভেরি ফাইন এবং আমি সাগরে পড়ে মরতে চাই না জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে হাটতে চাই না তাহলে আপনার জন্য এই আর্টিকেলটি| 

 

আপনি সবার আগে পাসপোর্ট করার পরে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ইন্ডিয়াতে ভিসার মাধ্যমে ঘুরে আসুন, ইন্ডিয়ান ভিসা পেতে খরচ হয় মাত্র ১০০০/- টাকা , পাঁচদিন যাওয়া-আসা, থাকা-খাওয়া খুব রাজার হালে আপনি ১০,০০০/- টাকায় Travel করতে পারবেন, প্রশ্ন হল আমার তো টাকা নাই? টাকা না থাকলে হিন্দু সম্প্রদায় একটি কথা আছে রথ দেখা কলা বেচা অর্থাৎ আপনি ইন্ডিয়া রথ দেখবেন কলা বেঁচে ইনকাম করবেন, আপনি ইন্ডিয়া ঘুরে আসবেন আবার ইনকাম হবে,  কিভাবে আপনি ঠিক ইন্ডিয়া যাওয়ার সময় ইন্ডিয়ান যে যে পণ্য বাংলাদেশে চলে সেটা নিয়ে আসবেন আসার সময় সরকারের বিধিমালা মেনে প্যাকেজের আওতায় আপনি যে সুবিধা পাচ্ছেন যে যে পণ্য আনা যায় জেন্টেলম্যান এর মত সেই প্রোডাক্ট আপনি নিয়ে আসবেন, এনে বিক্রি করে আপনার খরচের পরিপূর্ণ টাকা তুলতে পারবেন, কিন্তু এটা কি ব্যবসা হিসেবে নেওয়া যাবে?

 

না এটা আপনার ট্রাভেল-এর খরচ কমানোর জন্য আপনি হয়তো এই পন্থা অবলম্বন করতে পারেন, কিন্তু ব্যবসা হিসাবে এই পন্থা অবলম্বন করবেন না,  তাহলে যারা এখন থেকে একমাস পরে ইন্ডিয়া যাবেন তারা আপনার এলাকার আত্মীয়-স্বজনদেরকে বলুন, জানান যে আমি ইন্ডিয়া যাব আপনাদের কিছু লাগলে বলেন, যখনই কারো কিছু লাগবে বিস্তারিত সহ ছবি ডিটেলস মডেল নাম্বার সহ এবং তিনি কত দাম দিতে চায় সব জেনে নিতে হবে, জেনে নেওয়ার সাথে সাথে তার কাছ থেকে এডভান্স টাকা চাইতে হবে এবং অ্যাডভান্স দিলেই তার পণ্যটা আনবেন, না দিলে তার পণ্যটা আনবেন না,  কারণআনার পরে তিনি যে নিবেন তার নিশ্চয়তা আপনাকে কে দিবে? 

 

দ্বিতীয় কথা দশজন যদি বলে তার মধ্যে বাছাই করতে হবে যে কোন পাঁচজন & ছয়জন ভালো? তাদের প্রোডাক্ট আনার সিদ্ধান্ত নিবেন, এই পাঁচজন ছয়জনের মধ্যে যারা ভালো আপনি তাদের প্রোডাক্ট আনার মধ্য হয়তো কয়েকজন বাদ পড়ে যেতে পারে তাতে আপনার কিছু আসে যায় না, তো এভাবে আগে বিক্রি নিশ্চিত করে যেতে হবে এবং প্রোডাক্ট কিনতে হবে, কেউ যদি ইচ্ছে করে প্রোডাক্ট নিয়ে চলে যায় তাতেও আপনি ধরা খাবেন, আপনার যত ডিমান্ড থাক আপনি যে ডিমান্ডের টাকাটা খুজে বের করতে পারবেন না, কারণ আপনি প্রোডাক্ট সেল করতে পারবেন না পরে আপনি প্রোডাক্ট ফেলে আসতে হবে, না হলে প্রডাক্ট পানির দামে বিক্রি করতে হবে, আপনার লস হবে,

 

আরেকটা হল ঠিক তেমনি ভাবে আপনার দেশে গিয়ে ইন্ডিয়া থেকে আপনার মন মতো কসমেটিকস বা যেকোনো পণ্য থ্রিপিস হতে পারে, চকলেট হতে পারে, আপনার মনের মত যেকোনো পণ্য নিয়ে আসলেন, আনার পরে এটা কিন্তু মানুষের বিক্রি করতে পারবেন এটা ভাবার কোন কারন নাই, কারণ প্রতিটি মানুষের রুচি আলাদা এবং মানুষ যখন কোন কিছু নিয়ে তার কাছে আসে তখন সে বলে এটা ডিমান্ড নাই, সে বলে এটা একসময় খুব চাহিদা ছিল এটা লাগবে না, তারমানে আপনি লস খাবেন, বিক্রি নিশ্চিত করে  যা যা আনবেন আপনার লাভ হবে, বিক্রি নিশ্চিত না করে আপনি যা আনবেন তাতে আপনার লস হবে সুতরাং এইযে টেকনিকটা ফলো করবেন, প্রি রিকন্ডিশন হল আপনি ইন্ডিয়া যাওয়ার এক মাস আগে থেকে বলে বিক্রি নিশ্চিত করে ইন্ডিয়া গেলে দুইটা মোবাইল আনলেন তাহলে আপনার পাঁচ হাজার টাকা ছয় হাজার টাকা লাভ হবে, দুইটা লেহেঙ্গা আনলেন এতে কিছু টাকা লাভ হবে, পাঁচটি থ্রি পিচে আপনার লাভ পাঁচশত টাকা করে দুই হাজার পাঁচশত টাকা লাভ হবে, 

 

অর্থাৎ এইভাবে ইন্ডিয়া যাওয়া আসার ক্ষেত্রে আপনার আসা-যাওয়ার খরচ হাতে চলে আসবে কিন্তু প্রথমবার গিয়ে মানুষ পাইকারি বাজার চিনে না, কোত্থেকে পণ্য কিনবেন কিছুই চিনে না, অনেক মানুষের সাথে পরিচয় হইতে হইতে দেরি হয়,  এমনি হতে হতে সময় চলে যায়, প্রথমবার আপনার এই ব্যবসাটা হবে না, প্রথমবার নিশ্চয়ই খরচ আপনার পকেট থেকে যাবে, অথবা উঠাতে পারলেও আংশিক টাকা উঠবে বা অন্যান্য যারা ওভারস্মার্ট তাদের জন্য লাভ হবে, কিন্তু অধিকাংশ মানুষেরই প্রথমবার লস হয় আইমিন পকেট থেকে যাবে তুলতে পারবেন না, কিন্তু এদের মাঝে অনেকে আছে প্রথমবারই লাভ, আপনি যদি স্মার্ট হন তাহলে আমাদের কোনো আপত্তি নাই, তাহলে এভাবে আপনার ট্রাভেল শুরু হল তারপর আপনি এভাবে তিন মাস পরে দুই মাস পরে নেপাল যান তার দুই মাস বা তিন মাস পর আপনি মালদ্বীপ যান, ভুটান  যান, শ্রীলংকা যান 

 

এভাবে আপনি আটটা, দশটা দেশে না ঘুরে প্রতি দুই তিন মাস পর-পর অন্তর অন্তর একটি করে  দেশ  ঘুরেন,  ফলে যদি তিন  মাস অন্তর মাসে একটা করে দেশ ঘুরেন এক বছরে আপনি চারটি দেশ হবে তাহলে দুই বছরে আটটি দেশ হবে এভাবে তিন বছরে বারোটি দেশ হবে, তাহলে কেউ যখন আপনার পাসপোর্ট দেখবে তখন আপনার পাসপোর্টটা ভারী হবে, আপনার ট্রাভেল হিস্টরি সব জায়গায় গ্রহণযোগ্য হবে এবং দেখবে যে-না আপনি রিয়েল পর্যটক,  আপনি দুই তিন মাস নির্দিষ্ট বিরতিতে বিরতিতে ঘুরেন এবং আপনি ট্রাভেলের মধ্যে যদি মালদ্বীপ তুরস্ক থাকে তাহলে আরো বেশি দাম পাবেন, যেমন কিছু কিছু দেশ আছে একদম পাশাপাশি যেমন কম্বোডিয়া গেলে ভিয়েতনাম যেতে পারেন, কম্বোডিয়া ভিয়েতনাম পাশাপাশি, এখানে আপনি যদি মালয়েশিয়া জান, মালয়েশিয়া থাইল্যান্ড পাশাপাশি, সিঙ্গাপুর, সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়া পাশাপাশি অথবা সিঙ্গাপুর থাইল্যান্ড এভাবে  দুই একটা দেশ আপনি একসাথে ভিজিট করে ঘুরতে পারেন, যেমন ইন্ডিয়াতে যদি ঘুরতে যান ভুটান যেতে পারেন |

 

তবে এখানে একটু প্রবলেম আছে যদি নেপাল ভুটান  যায় তাহলে অনেক ধরনের জটিলতা তৈরি হয়, কারণ ইন্ডিয়া থেকে ট্রানজিট ভিসা নিয়ে নেপাল বা ভুটান যেতে হয়, এমনকি টুরিস্ট ভিসা থাকা সত্বেও যদি কেউ নেপাল  বা ভুটান যেতে চায়  তাহলে ইন্ডিয়ান এম্বাসি তে আবেদন করে তাকে ট্রানজিট ভিসা করে তারপরে নেপাল ভুটান যেতে হয়, তাহলে বাংলাদেশ থেকে একটি একটি দেশ করে ঘুরে আসা ভালো, আর বিমান দিয়ে গেলে নেপাল হোক অনারেবল ভিসা, ভুটান গেলেও অনারেবল ভিসা কোন জটিলতা নেই, বিমান ছাড়া গেলে ইন্ডিয়াতে ট্রানজিট ভিসা করে তারপরে যেতে হবে, তাহলে আপনার ট্রাভেল হিস্টরি হচ্ছে, এদিক দিয়ে আপনার তিনশত টাকা যদি থাকে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একটি ট্রেড লাইসেন্স নিতে পারেন সিটি করপোরেশনে এক দেড় হাজার টাকা হলে সুন্দর একটি ট্রেড লাইসেন্স পাওয়া যায়, ওই নামে একটি ব্যাংক একাউন্ট করেন,  আপনার দুই লাখ 5 লাখ যা টাকা আছে ওই অ্যাকাউন্টে রেখে প্রতিনিয়ত লেনদেন করেন, আপনার যত ধরনের খরচ আছে বাড়িভাড়া বলেন অফিস ভাড়া বলেন আপনি কোথাও যাবেন বিমানের টিকিট কিনতে হবে সেই খরচ বলেন অন্য কিছু কিনবেন সব সময় চেক দিয়ে কিনবেন & লেনদেন করার চেষ্টা করবেন,

 

যখনই চেক দিয়ে লেনদেন করার চেষ্টা করবেন তখন টাকাটা আপনার ব্যাংকে থেকে যাবে, ফলে কি হবে আপনার ব্যাংকে ট্রানজেকশন বাড়বে এবং আপনি যখন যে কোন টাকা ক্যাশ মানুষকে না দিতে উৎসাহিত করবেন, যে ভাই ব্যাংকে জমা দিয়ে আমাকে সিলিপ টা দিয়ে দাও তাহলে কি হলো আপনার ব্যাংক ট্রানজেকশন টা বেড়ে গেল এবং নিজের কাছেও কোন টাকা থাকলে সেটা আপনি যত দ্রুত পারেন ব্যাংকে জমা দিয়ে রাখবেন তাহলে আস্তে আস্তে ট্রানজেকশন বাড়লো এদিকে বিজনেস ডকুমেন্ট তৈরি হলো, আসলে তিনটি বিষয় একদম বেসিক একজন ট্রাভেলারের ১| ট্রাভেল হিস্টরি, ২| বিজনেস ডকুমেন্ট, ২ ৩| তার ফিনান্সিয়াল কন্ডিশন, তিনি অর্থনৈতিকভাবে সক্ষম কিনা? এর বাইরে আরো কিছু ডকুমেন্ট ইউরোপ-আমেরিকা-কানাডা-অস্ট্রেলিয়ার ক্ষেত্রে দেখা যায় আপনি সলভবান পরিবারের সদস্য কিনা? প্রপার্টি স্টেটমেন্ট প্রয়োজন  এবং আপনার ফ্যামিলির বায়োডাটা প্রয়োজন ফ্যামিলি ট্রিপ প্রয়োজন এবং ওই দেশের একটা ইনভাইটেশন হলে ভালো হয়, এখন আপনি দেখেন আজকে যদি শুরু করেন আপনি ওই রথ দেখা কলা বেচা ট্রাভেলটা করেন তাহলে আপনার কিন্তু অলমোস্ট বিনা খরচায় পৃথিবী ঘুরতে পারবেন,

 

এতক্ষণ যে জিনিসটা বুঝলাম সারা পৃথিবী আমার যেখানে প্রয়োজন সেখানেই যাব যা প্রয়োজন তাই নিব কারন আমি ব্যবসায়ী, ব্যবসায়ী বিজনেসম্যান এর কোনো বর্ডার নাই, যত বড় চাকরিজীবী হন আগে চাকরিজীবী ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য উন্নত দেশগুলো ওপেন ছিল, এখন কিন্তু অনেকটা  ব্লক,  কিন্তু ব্যবসায়ী লেখাপড়া জানে না তারও আমেরিকাতে মাল্টিপল ভিসা আছে, ব্যবসা আছে,  একটি ছোট বাবু আমেরিকার মাল্টিপল ভিসা আছে, তাহলে বুঝতেই পারছেন যখন আপনার অর্থনৈতিক সক্ষমতা আসবে তখন আমেরিকা অস্ট্রেলিয়া কানাডা ইউরোপ এই দেশগুলো আপনার জন্য, কিন্তু তার আগে  প্রতিবছর চারটা পাঁচটা দেশ ঘুরে আপনি একটি ট্রাভেল হিস্টরি তৈরি করুন,  এটা এক দুই তিন বছর হলে ভালো হয় কেউ এক বছর পরে হলেও দাঁড়াতে পারেন দুই বছর পরেও দাঁড়াতে পারেন তিন বছর পরে দাঁড়ালে মিনিমাম আপনার বারোটা দেশ ভ্রমণ করা হয়ে যাবে | 

 

আপনার ট্রাভেলিং হিস্টোরি টা একদম সলিড ফাউন্ডেশন হয়ে থাকবে, এদিকে আপনার বিজনেস ডকুমেন্ট হয়ে গেল, যে ডকুমেন্ট এর উপর মূল্যায়ন করে বিশ্বের অধিকাংশ দেশে থাকে,  ৩| আপনি যেহেতু ব্যাংক ট্রানজেকশন করতেছেন আপনার ফিনান্সিয়াল কন্ডিশনটা অনেক সাউন্ড এবং সলভেন্ট মনে হবে  আপনার ট্রানজেকশন এর মাত্রা অনেক বেড়ে যাবে, ফলে যেকোনো দেশের এম্বাসিতে আপনি যখন আপনার ব্যাংকের  স্টেটম্যান  এবং আপনার অন্যান্য সার্টিফিকেট ডকুমেন্ট সাবমিট করবেন ফিনান্সিয়ালি আপনাকে সাউন্ড এবং  সলভেড  ধরেই নিবে, আপনার  ভিসা ফি ইউরোপ কানাডা অস্ট্রেলিয়া আমেরিকা অলমোস্ট বিশ হাজার টাকা, আপডাউন রিটার্ন টিকেট ইউরোপ আমেরিকা অস্ট্রেলিয়া কানাডা,  এক লক্ষ টাকা এরাউন্ড চলে কখনো 90, কখনো 92  কখনো  এক লক্ষ দশ হাজার কখনো  20/30  এইরকম টাকা হতে পারে অর্থাৎ আপনি লক্ষ টাকায় জাপান-কানাডা-অস্ট্রেলিয়া-আমেরিকা-ইউরোপের মতো দেশে যে কোন দেশে যাইতে পারবেন, এবং এটার জন্য কারো সাহায্য লাগবে না, 

 

আপনি বিশ্বাস করুন এটা দলিল হিসেবে আপনি লিখে রাখতে পারেন, আজকে থেকেই যদি আপনি শুরু করেন, হ্যাঁ কালকে তো আপনি ইউরোপ যেতে পারবেন না, অস্ট্রেলিয়া কানাডা ইউরোপ কোথাও যেতে পারবেন না তবে এক বছর দুই বছর তিন বছর পরে বিশ্বের যেকোন দেশে যান আপনার জন্য সেদেশের দরজা খোলা, সারা পৃথিবী আপনাকে চায়, আপনি কোন রাষ্ট্রে যাবেন এটাই এখন আপনাকে ডিসাইড করতে হবে, আপনাকি জার্মানি যাবেন? নাকি অস্ট্রেলিয়া যাবেন? না কানাডা যাবেন? না আমেরিকা যাবেন?  আপনার জন্য তখন এটা হবে তখন  চুজ করার একটি ফ্যাক্টর, বিকজ আপনি সেই কোয়ালিটি অর্জন করেছেন আপনি বারোটার উপরে দেশ ঘুরে ফেলেছেন এবং আপনার বিজনেস ডকুমেন্ট সঠিক আছে এবং আপনার ফিনান্সিয়ালি সাউন্ড সলভেড  প্রুফ করতে সফল হয়েছেন, যার অর্থ হলো পৃথিবীর যেখানে আপনি যাবেন মাথা উঁচু করে যাবেন, 

 

এই আর্টিকেলের তথ্যগুলো যদি আপনি ফলো করেন বিশ্বাস করেন ইউরোপ অস্ট্রেলিয়া-কানাডা আপনার জন্য আবারো বলছি ইনশাআল্লাহ মাত্র এক থেকে দেড় লাখ টাকা অথবা দুই লাখ টাকায় ভিজিট করতে পারবেন এবং তাও আপনার ভিজিটের টাকা সেসব দেশে ডিজিট এর টাকা উঠে যাবে, এমন চমৎকার ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে ট্রাভেল হিস্টরি এবং বিজনেস ডকুমেন্ট ফিনান্সিয়াল  সঠিক রাখতে এবং আপনার আরও বন্ধুবান্ধবের কাছে এই আর্টিকেলটি শেয়ার করতে পারেন যাতে তারাও আইডিয়াটি তাদের জীবনে কাজে লাগাতে পারে, তো বন্ধুরা ভালো থাকবেন সবাই নতুন নতুন আটিকেল পেতে আপনারা কমেন্টে আমাদেরকে জানাতে পারেন ধন্যবাদ সবাইকে বাংলা স্কাই নিউজের সাথেই থাকুন| 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *