আপনি কি আপনার বেবসা বৃদ্ধি করার কথা ভাবছেন?  আপনি কি আপনার পণ্যের রিভিউর কথা ভাবছেন?  আপনার পণ্য সেল হচ্ছেনা? তাহলে আপনার জন্য সুখবর। 

আপনার দুঃশ্চিন্তা দূর করার জন্য  বাংলা স্কাই নিউজ ওয়েবসাইট এর পক্ষ থেকে এই  আর্টিকেল আপনাদের জন্য উপহার ‍হিসাবে লিখেছি।  Fiverr হচ্ছে একটি ফ্রিলেন্সিং মার্কেটপ্লেস। এখানে বায়ার যেকোনো কাজ একজন ফ্রিলেন্সারের মাধ্যমে খুব অল্প বাজেটে করিয়ে নিতে পারেন।  এখানে রয়েছেন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ফ্রিলেন্সারগণ। এবং তারা সবসময় অনলাইনে একটিভ থাকেন। এখানে বায়ার এবং সেলার উভয়েই সৎ থাকেন। এবং Fiverr এর কঠিন নিয়ম নীতির কারণে কেও কোনো বাজে কিছু করতে পারেন না। এবিষয়ে Fiverr খুবই সতর্কতা অবলম্বন করেন। আপনি নিশ্চিন্তে একউন্ট তৈরী করতে পারেন।

Fiverr কিভাবে কাজ করে?

উত্তরঃ প্রথমে আপনি নিচের লিংকে ক্লিক করে নিরখরচায়  সম্পূর্ণ   একটি  একাউন্ট তৈরী করে নিতে হবে। একাউন্ট তৈরী করার সময় আপনি কেন এই মার্কেটপ্লেসে এসেছেন আপনাকে প্রশ্ন করা হবে। এবং আপনি কি  একাউন্ট করবেন।

Create Account

 যেমন- নম্বর ১. বায়ার একাউন্ট,  নম্বর ২. সেলার একাউন্ট।

ফাইভারের ভাষায়- সেলার মানে হলো ফ্রিলেন্সার আর বায়ার মানে হলো, যে একজন ফ্রিলেন্সারের কাছে থেকে গিগ কিনে অর্ডার দেন ।  তখন আপনি যেকোনো একটি অপশন নির্বাচন করবেন। যদি আপনি ফ্রিলেন্সার ভাড়া করে কাজ করাতে চান তাহলে বায়ার অপশনটি সিলেক্ট করবেন।  আর যদি এখানে ক্যারিয়ার গরতে চান তাহলে ‍অর্থাৎ আপনি এখন থেকে কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে চান তাহলে সেলার অপশনটি সিলেক্ট করবেন। প্ররবর্তী ধাপ হলো- ইমেল-ফোন এবং একটি স্ট্রং পাসওয়ার্ড সেটাপ করতে হবে। এবং তাৎক্ষনিক  ইমেইল এবং ফোন নম্বরটি ভেরিফাই করতে হবে।  ‍আপনার কাঙ্খিত ইমেইলে একটি ভেরিফাই লিংক আসবে  ‍সেই লিংকে ক্লিক করলে ‍সাথে সাথে ভেরিফাই হয়ে যাবে একাউন্ট করার পরে ‍সেটিংস থেকে আপনার ফোন নম্বরটি ‍সেটাপ করে নিবেন এবং একটি OTP কোড আসবে শূণ্য বক্সে 6(ছয়) সংখ্যার কোড বসিয়ে ভেরিফাই করে নিবেন। একাউন্ট করার ক্ষেত্রে আপনার কাজ 80% (আশি )পারসেন্ট শেষ হয়েছে।

 এরপর সিম্পল কিছু কাজ বাকি রয়েছে। যেগুলো আপনি পরেও করতে পারবেন। যেমন আপনার প্রফাইলটি সেটাপ করা অর্থাৎ প্রোফাইল শর্ট টাইটেল এবং ডিস্ক্রিপ্সন লেখা। কান্ট্রি সিলেক্ট করা কেটাগরি ইত্যাদি। এখন আপনার কাজ সমপূর্ব শেষ। এখন আপনি যেকোনো ফ্রিলেন্সারকে ভারা করতে পারবেন যদি আর ফ্রিলেন্সারদের ভাষায় বলি তাহলে বলতে হবে  যেকোনো ফ্রিলেন্সারকে হায়ার করতে পারবেন।

1. আপনি এই Fiverr মার্কেটপ্লেসে কি ধরণের কাজ করাতে পারবেন? এবং 2. আপনার ইচ্ছামতো কিভাবে আপনি কাঙ্খিত ফ্রিলেন্সারদের খুজবেন? এবং 3. কিভাবে  ফ্রিলেন্সার হয়ে কাজ খুজবেন?

1. আমি অল্প কিছু কাজের কেটাগরির নাম নিচে লিখে দিলাম। 

1. Digital Marketing (এই ক্যাটাগরিতে অনেক গুলো সেক্টর রয়েছে) যেমন Affiliate Marketing, Social Media Marketing, Email Marketing, B2B, Goggle Top Ranking, Facebook Marketing, Instagram Marketing, Social Media Management, 2. যেকোনো বড় প্রজেক্ট Company হতে পারে। 3. Web development,  WordPress website, SEO, 5. Graphics designইত্যাদি। এছাড়াও আরো অনেক কেটাগরি রয়েছে, যা বলে এবং লিখে শেষ করা অসম্ভব।

2. আপনি কিভাবে ফ্রিলেন্সারদের ভারা করবেন?

আপনার কাঙ্খিত কাজের নামটি Fiverr এর সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করবেন  এরপর দেখবেন আপনার সামনে সেই লেখা অনুযাায়ী হাজার হাজার ফ্রিলেন্সারদের Gig অর্থাৎ অফার আসবে আপনার কাছে যেই অফারটি ভালো লাগবে আপনি সেটি লাভ রিয়েক্ট দিয়ে রাখতে পারেন অথবা সাথে সাথে ফ্রিলেন্সারের সাথে Fiverr এর অর্থাৎ সেলারের ইবক্সে সরাসরি মেসেজ করতে পারবেন। তার আগে আপনি দেখে নিবেন যে কে একটিভ আছে যদি একটিভ থাকে তাহলে তাকে মেসেজ দিলে সে সাথে সাথেই আপনার মেসেজে এর রিপ্লাই দিবে। তারপর তার সাথে কথা বলে আপনার কাঙ্খিত কাজের ব্যাপারে তাকে পরিক্ষা করে নিবেন এবং ভালো লাগলে সেলারকে হায়ার করতে পারবেন।

3. কিভাবে ফ্রিলেন্সার হয়ে কাজ খুজবেন?

আপনার প্রোফাইলের ড্যাসবোর্ডে চলে যাবেন সেখানে আপনি একটু খুঁজলেই দেখবেন বায়ার রিকুয়েস্ট নাম একটি অপশন আছে সেখানে ক্লিক করলে দেখতে পাবেন অনেক অনেক বায়ার রিকুয়েস্ট। কিন্তু আগে আপনি যেকাজে বেশি পারদর্শী সে কাজ এর Gig পাবলিশ করে নিতে হবে। তারপর আপনি প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩টি করে বায়ার রিকুয়েস্ট দিবেন। কারণ আপনি প্রথম এই মার্কেটপ্লেসে ঢুকেছেন। আপনি যখন কিছু কাজ করবেন এবং বায়ারদের ভালো রিভিও পাবেন তখন আপনি দিনে ১০টি রিকুয়েস্ট পাঠাতে পারবেন। তবে যখন আপনি ভালো লেবেল চোলে যাবেন তখন আপনার আর কোনো বায়ারের কাছে রিকুয়েস্ট পাঠাতে হবেনা। আপনার সাথে কথা না বলেই অনেক বায়ার আপনাকে কাজ দিয়ে যাবে। কারণ তখন আপনি একজন দক্ষন ও পপুলার ফ্রিলেন্সার। তবে বসে থাকবেন না অবসসই কাজ খুঁজতে থাকবেন পার্মানেন্ট হিসাবে। মাসে বেতন হিসাবে। যেমন প্রতি মাসে $১০০০। ইত্যাদি।
আমি আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আপনাদে দিতে পারতাম তবে গুগলে আপনারা এ নিয়ে আরো অনেক আর্টিকেল পাবেন। যদি কোনো সমস্যা হয় গোগোল সার্চ করে জেনে নিবেন অথবা ইউটুবে অনেক ভিডিও দেখে জেনে নিবেন।

আমাদের আর্টিকেল ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আজকের মতন এপর্যন্তই লিখলাম। পরবর্তী আর্টিকেল এর জন্য আমাদের সাথেই থাকুন ধন্যবাদ

Create Account

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *